অ্যালার্জি শব্দটি সুপরিচিত। অ্যালার্জির অসুস্থতা বেদনাদায়ক। সবাই বিশ্বাস করে যে অ্যালার্জি নিরাময় করা যায় না। কিন্তু, অ্যালার্জির চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি রয়েছে। আমরা আজ এক এক করে সবকিছু শিখব।
শুধুমাত্র যাদের অ্যালার্জি আছে তারাই কষ্টের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। আমাদের আশে পাশেই এবং ঘরের মধ্যেও কারো না করো এলার্জি আছে। আর এই অ্যালার্জি আছে এমন অনেকেই বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে পারছেন না। অনেক মানুষ ওষুধ সেবন করে অসুস্থ।ওষুধ কোনও অ্যালার্জি নির্মূল করার সেরা পদ্ধতি নাও হতে পারে। অ্যালার্জির স্থায়ী নিরাময় না হলে আপনাকে সারা জীবনের জন্য এই ওষুধটি গ্রহণ করতে হবে।
এলার্জি দূর করার উপায়
রোদে এক কেজি নিম পাতা ভালো করে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুঁড়ো করুন, নিম পাতার গুঁড়া একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখতে হবে। ১ গ্লাস পানিতে ১/৩ চা চামচ নিম পাতার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ ইসবগুলের ভুসি ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। 30 মিনিট পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।
প্রতিদিন, এটি সকালে খালি পেটে, দুপুরের খাবারের সময় এবং ঘুমের ঠিক আগে ভরা পেটে খান। এটি 21 দিনের জন্য অবিরাম সেবন করা প্রয়োজন। কাজ শুরু করতে এক মাস সময় লাগতে পারে। এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না, যেমন-মিষ্টি কুমড়া, গরুর মাংস, বেগুন, কচু, কচুশাক, হাঁসের ডিম এবং গরুর মাংস সহ অ্যালার্জির কারণে আপনি অক্ষম যে কোনও খাবার খান। আর কোন সমস্যা নেই।
এলার্জি থেকে মুক্তির উপায়গুলো
👉ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খেলে অ্যালার্জি দূর হয়।
👉যে খাবারটি আমাদের শরীরের অ্যালার্জি নিরাময় করে তা হল ভিটামিন এ।
👉বায়োফ্ল্যাভনয়েড এলার্জির জন্য ভালো কাজ করে। কারন এতে আছে এক ধরনের যৌগ যা শাকসবজি ও ফলমূলে থাকে।
👉কোয়েরসেটিন একটি পদার্থ যা অ্যালার্জি নির্মূলে সাহায্য করে।
👉ব্রোমেলেন নামক পদার্থ শরীরের অ্যালার্জি দূর করতে সাহায্য করে। যা আমরা আনারস থেকে পেয়ে থাকি।