আপনার সমবয়সী প্রায় সবারই সঠিক সময়ে দাড়ি গজিয়ে গেছে, কিন্তু আপনি পড়ে গেছেন মহা বিপাকে। ঠিকঠাক মতো দাড়ি না গজানোর কারনে বন্ধুমহলে প্রতিনিয়ত হাসির পাত্র হতে হচ্ছে আপনাকে। বর্তমান সময়ে অনেক উন্নত চিকিৎসা থাকলেও অনেকেই জানতে চান দাড়ি গজানোর প্রাকৃতিক উপায় কি?
১. আমলকি তেল দাড়ির বিকাশকে ত্বরান্বিত করে। আমলকি তেল 15 থেকে 20 মিনিটের জন্য আপনার মুখে ম্যাসাজ করতে ব্যবহার করা উচিত। তারপর আপনার মুখ পরিষ্কার করতে ঠান্ডা জল ব্যবহার করুন।
২. দিনে দুবার মৃদু ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুতে হবে। মুখ ধোয়ার সময় হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন।পরিষ্কার ত্বক দাড়ির বৃদ্ধিকে বাড়িয়ে দেবে।
৩. আপনার খাদ্যে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। মাংস, ডিম, মাছ, বাদাম ইত্যাদি খান। ফলে আপনার দাড়ি দ্রুত বাড়বে।
8.পেঁয়াজের রস ব্যবহার করলে চুল ঘন বা দাড়ি হবে। পেঁয়াজের রসে সালফার। নিয়মিত পেঁয়াজের রস মুখে এবং দাড়ির গোড়ায় লাগালে দাড়ির বৃদ্ধি এবং ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।
৫.মানসিক চাপ কম থাকলে দাড়ি দ্রুত গজায়। তাই ধ্যান করে বা যোগব্যায়াম করে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
৬.ভিটামিন বি কমপ্লেক্স দাড়ি বাড়ানোয় সাহায্য করে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নানা ধরনের হেল্থ সাপ্লিমেন্ট ও ভিটামিন খেয়েও দাড়ির বৃদ্ধি বাড়ানো যায়
৭.দাড়ি সুন্দর এবং দ্রুত বৃদ্ধির জন্য, পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। এটি ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামতে সাহায্য করে।
আমলকির তেল:
আমলকির তেল দাড়ি বাড়ানোর জন্য চমৎকার। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। যা চুল এবং দাড়ির বিকাশকে উৎসাহিত করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখে। আপনি প্রায়শই আপনার মুখে তেল ব্যবহার করতে পারেন কারণ এটি সম্পূর্ণরূপে প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা গঠিত। দুই বা তিন ফোঁটা তেল নিন, এটি দিয়ে মুখের দাড়ির বিকাশমান অংশটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ম্যাসাজ করুন এবং তারপর 20 মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আমি আশা করি এই পদ্ধতিটি আপনার জন্য বেশ সফল হবে।
হালকা গরম পানির ব্যবহার:
স্বাস্থ্যকর দাড়ি বিকাশের জন্য মুখের ত্বক পরিষ্কার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুতে হবে। ফলস্বরূপ একটি তাজা দাড়ি বৃদ্ধি করা সহজ হবে। প্রভাব হল দাড়ির ঘনত্ব বৃদ্ধি।