চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

চুল পড়ার সমস্যায় নারী-পুরুষ উভয়েই ভোগেন। তবে পুরুষরা যেহেতু বেশিরভাগ সময়ই ঘরের বাইরে সময় কাটান, তাই তাদের চুল বেশি পড়ে যায়। এছাড়াও নারীরা চুলের যতটা যত্ন নেন, তার একভাগও পুরুষরা যত্ন নেই না।

সব মিলিয়ে কম বয়সেই অনেক পুরুষই চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও মাথায় চুল পড়ে টাক হয়ে যায়। আর মাথার চুল কমে গেলে আত্মবিশ্বাসও কমে যায়।
চুল পড়ার সমস্যা নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। অনেক ঘরোয়া উপায়েও চুল পড়া বন্ধ করা যায়।

তার জন্য যা করতে হবে। 

কী করবেন.. 

👉 আলুর রস ভালভাবে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে অপেক্ষা করুন। আধা ঘণ্টা পরে কুসুম গরম পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে চুল গুলো ধুয়ে ফেলুন। 

👉অ্যালোভেরা জেল ব্লেন্ড করে চুলে ১ ঘণ্টা লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুল পড়া কমানো ও মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করতে সাহায্য করবে, চুল আরো মজবুত হবে। 

👉অলিভঅয়েল চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। 

👉পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এর পর শ্যাম্পু দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন। 

👉শরীরে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হলেও চুল পড়ার পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। তাই চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে গেলে বুঝবেন আপনার শরীরে হয়তো পানিশূন্যতা রয়েছে। তাই দৈনিক অন্তত ২-৩ লিটার পানি অবশ্যই পান করতে হবে আপনাকে। 

👉দৈনিক শরীরচর্চা করুন। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। পাশাপাশি সাঁতার কাটতে পারেন বা সাইকেলও চালাতে পারেন। এতে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে ও স্ট্রেসের মাত্রা কমতে থাকবে। ফলে চুল পড়ার সমস্যাও কমবে। 


টানা দুই সপ্তাহ এই নিয়মগুলো মানলে,আপনার চুল পড়ার সমস্যা খানিকটা হলেও সমাধান হবে। তারপরও যদি চুল পড়া বন্ধ না হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

মেথি:

আধা কাপ নারকেল তেলে ১ চা চামচ মেথি দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

পেঁয়াজের রস:

চুল পড়া বন্ধে পেঁয়াজের রস অনেক ভালো কাজ করে। শুধু চুল পড়া বন্ধ হবে, তাই নয় নতুন চুল গজাবেও। গোসলের ৪০ মিনিট আগে পেঁয়াজের রস চুলের গোঁড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। এরপর ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন।

আমলকী:

চুলের গোঁড়ায় আমলকীর তেল ঘষে ঘষে লাগান। আধা ঘণ্টা রাখার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


কী কী কারণে চুল পড়তে পারে? 

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

👉চুল পড়ার প্রদান কারণ জিনগত হতে পারে। কোনও মহিলা কিংবা পুরুষের নির্দিষ্ট বয়সের পরেই চুল পড়ার সমস্যা হলে এবং তাঁদের বংশে চুল পড়া বিষয়টি আগেও দেখা যায়, তবে অনেক এ সেটিকে বংশগত সমস্যা বলে ধরে থাকে। 

👉শরীরে হরমোনের হঠাৎ পরিবর্তনেও চুল ওঠার সমস্যা হয়ে থাকে। সেই কারণে প্রেগনেন্সি বা প্রেগনেন্সির পরে চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন অনেক মানুষ । কারণ_ গর্ভাবস্থা, প্রসব বা মেনোপজের পরও হরমোনের তারতম্য কারণে চুল পড়তে থাকে। 

👉এছাড়াও কোনও শারীরিক সমস্যা বা কঠিন অসুখ করলেও চুল পড়তে থাকে। দুশ্চিন্তা ও টেনশন থেকেও চুল উঠতে পারে। 

👉স্ক্যাল্প অপরিষ্কার রাখলে ও স্ক্যাল্পে কোনও ইনফেকশন হলে, তা থেকেও চুল পড়তে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন